পোস্টগুলি

তরুণাস্থি যুক্ত ও অস্থি যুক্ত মাছ: সংজ্ঞা, পার্থক্য, উদাহরণ

ছবি
ভূমিকা মাছের জগৎ বিশাল এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের এই গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণীটিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায় - তরুণাস্থি যুক্ত মাছ এবং অস্থি যুক্ত মাছ। এদের নামকরণ থেকেই বোঝা যায় এদের প্রধান পার্থক্য কোথায় নিহিত। একদিকে যেমন তরুণাস্থি যুক্ত মাছের কঙ্কাল নরম তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত, তেমনই অন্যদিকে অস্থি যুক্ত মাছের কঙ্কালের মূল উপাদান হল শক্ত হাড়। এই গঠনগত ভিন্নতা ছাড়াও এদের মধ্যে আরও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য বিদ্যমান, যা এদের জীবনযাত্রা এবং পরিবেশের সাথে অভিযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আসুন, এই দুই প্রকার মাছের বৈশিষ্ট্য এবং পার্থক্যগুলো বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক। তরুণাস্থি যুক্ত মাছ (Chondrichthyes) কাকে বলে ? যে সকল মেরুদণ্ডী জলজ প্রাণীর কঙ্কাল প্রধানত তরুণাস্থি (cartilage) দ্বারা গঠিত, যাদের ত্বক প্ল্যাকয়েড আঁশ দ্বারা আবৃত, ফুলকা কানকো দিয়ে ঢাকা থাকে না এবং সাধারণত পটকা অনুপস্থিত থাকে, সেই সমস্ত মাছকে তরুণাস্থি যুক্ত মাছ বলে। তরুণাস্থি যুক্ত মাছের উদাহরণ: • হাঙ্গর (Shark) • রে (Ray) • শাপলা পাতা মাছ (Skate) • চিমেরা (Chimaera) • স করাত মাছ (Sawfish) অস্থি যুক্...

সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন সাজেশন pdf

ছবি
নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞান বুকে। দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি সেমিস্টার-3 এর জীববিদ্যা বা বায়োলজির Unit-VI জনন থেকে প্রথম অধ্যায় সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন সাজেশন। এটি একটি পিডিএফ ফাইল। সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন প্রথম অধ্যায় Unit-VI : জনন জীববিদ্যা সেমিস্টার - 3 দ্বাদশ শ্রেণী প্রিমিয়াম সাজেশন | MCQ প্রশ্ন-উত্তর সাজেশন  মূল্য : ₹ 10 /-  টাকা মাত্র। (দশ টাকা মাত্র)

কীভাবে ঘটে দ্বিনিষেক? দ্বিনিষেক পদ্ধতি (Double fertilization process explain)

ছবি
নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞান বুকে। একই স্ত্রীলিঙ্গধরের মধ্যে অবস্থিত দুটি ভিন্ন ধরনের (ডিম্বাণু ও নির্ণীত নিউক্লিয়াস) স্ত্রী জনন কোশের সঙ্গে দুটি পুং গ্যামেটের মিলন ঘটার মাধ্যমে যে নিষেক ঘটে তা হলো দ্বিনিষেক। এই দ্বিনিষেক পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নওয়াসিন, Fritillaria এবং Lilium নামক দুটি উদ্ভিদকে পরীক্ষার মাধ্যমে। দ্বিনিষেক পদ্ধতিটি শুধুমাত্র গুপ্তবীজী সস্যল উদ্ভিদ দেহেই সম্পন্ন হয়। উদাহরণ - রেড়ি, ভুট্টা, গম, ধান ইত্যাদি। দ্বিনিষেক পদ্ধতি 1) পরাগযোগের পর পরাগরেণু থেকে পরাগনালী নির্গত হয়ে গর্ভদণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত হতে থাকে। পরাগনালিতে দুটি পুং গ্যামেট থাকে। 2) পরাগনালি ডিম্বক কেন্দ্র দিয়ে ভ্রূণস্থলীতে প্রবেশ করে। 3) ভ্রূণস্থলির অগ্রভাগ বিদীর্ণ হলে পুং গ্যামেট বা পুং জনন কোশ দুটি ভ্রূণস্থলীতে মুক্ত হয়। 4) একটি পুং জনন কোশ, ডিম্বাণুকে (oosphere) নিষিক্ত করে এবং এর ফলে ডিপ্লয়েড জাইগোট (2n) (oospore) সৃষ্টি হয়। 5) অপর পুং জনন কোশ নির্ণীত নিউক্লিয়াস (2n) -কে নিষিক্ত করে এবং এর ফলে ট্রিপ্লয়েড সস্য নিউক্লিয়াস (3n) সৃষ্টি হয়।

DNA -এর প্রকারভেদ (Types)

ছবি
নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞানবুকে। DNA বিভিন্ন প্রকারের হয়। শারীরবৃত্তীয় অবস্থার পরিবর্তন হলে, আর্দ্রতার হ্রাস অথবা লবণের মাত্রাধিক্য ঘটলে DNA -এর গঠনের পরিবর্তন ঘটে এবং DNA -এর রূপভেদ ঘটে।  এই পেজের আলোচ্য বিষয়: DNA -এর প্রকারভেদ মোটামুটি ছয় ধরনের DNA -এর বহুরূপতার কথা এখনো পর্যন্ত জানা গিয়েছে। DNA -এর এই রূপভেদ গুলি হলো — A-DNA , B-DNA , C-DNA , D-DNA , T-DNA ও Z-DNA এই রূপভেদ গুলির মধ্যে প্রধান রূপভেদ গুলি হলো : A-DNA , B-DNA এবং Z-DNA DNA -এর এই রূপভেদ গুলিকে হেলিক্স কুণ্ডলীর প্রকৃতি, প্রতিপাকে বেস জোড়ের সংখ্যা, কুন্ডলী অক্ষে বেস জোড়ের উন্নতি, বড় ও ছোট খাদের প্রশস্ততা ও গভীরতা প্রভৃতি তারতম্যের ভিত্তিতে পৃথক করা যায়। A, B ও Z-DNA -এর পার্থক্য ধর্ম A-DNA B-DNA Z-DNA কুণ্ডলী প্রকৃতি দক্ষিণাবর্তী (Right handed) পাকযুক্ত দক্ষিণাবর্তী (Right handed) পাকযুক্ত বামাবর্তী (Left handed) পাকযুক্ত ব্যাস 26Å 20Å 18Å প্রতি পাকে বেস জোড় 11 10 12 বেস জোড়ের উন্নতি ...

জনন - গুরুত্ব, তাৎপর্য, বৈশিষ্ট্য, প্রকার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা

ছবি
নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞানবুকে। এই আর্টিকেলে আমরা জানবো জনন সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ বিষয় বিস্তারিত আলোচনা যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্ব, তাৎপর্য, বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। প্রথমেই আমরা জানবো যে জনন কাকে বলে এর সংজ্ঞা। জনন কাকে বলে ? যে জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীব নিজ সত্তা এবং আকৃতি বিশিষ্ট অপত্য জীবের সৃষ্টি করে এবং সংখ্যা বৃদ্ধির দ্বারা বংশধারাকে অক্ষুন্ন রাখে তাকে জনন বলে। এবার আমরা জননের গুরুত্ব বা তাৎপর্য সম্পর্কে বেশ কিছু প্রধান পয়েন্ট দেখবো। এই পয়েন্টগুলো জননের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য দুটোকেই নির্দেশ করে। সুতরাং, এই পয়েন্ট গুলোই জননের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য দুটোই হবে। জননের গুরুত্ব  1) জনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীব বংশধর উৎপত্তির মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখে। 2) জীব জননের মাধ্যমে নিজের প্রজাতির সংখ্যা বৃদ্ধি করে। 3) জননের দ্বারা জীব তার বংশানুক্রমিক ধারাকে বাঁচিয়ে রাখে। 4)জননের ফলে জীবের মৃত্যুজনিত সংখ্যার হ্রাস পূরণ ঘটে এবং এর ফলে পৃথিবীতে জীবজগতের ভারসাম্য বজায় থাকে। 5) যৌন জননের মাধ্যমে অপত্য বংশধরদের মধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব ঘটে, যার ফলে ...

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সঙ্গে সৌরজগতের গঠনের সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য

ছবি
নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞান বুকে। এই আর্টিকেলে আমরা জানবো, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সঙ্গে সৌরজগতের গঠনের সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর একটি নিউক্লিও মডেল দেন। বিজ্ঞানী রাদারফোর্ডের দেয়া পরমাণুর এই নিউক্লিয় মডেল, পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত আধুনিক ধারণার ভিত্তিস্বরূপ। আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত থেকে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে পরমাণুর নিউক্লিয় মডেল প্রকাশ করেন। এই আর্টিকেলে আমরা জানতে চলেছি বিজ্ঞানী রাদারফোর্ডের এই পরমাণু মডেলের সঙ্গে আমাদের সৌরজগতের গঠনের সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য গুলি। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সঙ্গে সৌরজগতের গঠনের সাদৃশ্য  ১) সৌরজগতের গঠন : সৌরজগতের ক্ষেত্রে, সূর্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রহ নিজ নিজ কক্ষপথে আবর্তন করে। ১) রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল : রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের ক্ষেত্রে, পরমাণুতে ইলেকট্রন গুলি কেন্দ্রক বা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কক্ষপথে আবর্তন করে।  ২) সৌরজগতের গঠন : সৌরজগতে আবর্তনশীল গ্রহগুলির মধ্যে তাদের কেন্দ্রীয় আকর্ষণ বল এবং সূর্য ও গ্রহগুলির ...

তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র এবং এর গাণিতিক রূপ

ছবি
নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞানবুকে। এই আর্টিকেলে আমরা জানব তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র এবং তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের গাণিতিক রূপ সম্পর্কে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। শক্তির সংরক্ষণ সূত্র অনুযায়ী শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস কোনটাই করা যায় না শুধুমাত্র শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্যরূপে পরিবর্তিত করা যায়। ঠিক একই রকম তাপ গতিবিদ্যার প্রথম সূত্র।  তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র  মহাবিশ্বে মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনীয়।  তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের গাণিতিক রূপ  একটি বদ্ধ সিস্টেম এবং পরিবেশের মধ্যে তাপ বা কার্য অথবা তাপ এবং কার্য উভয়ের আদান-প্রদান ঘটলে সিস্টেমের অবস্থান পরিবর্তন হয় এবং এর ফলে সিস্টেমের আন্তরশক্তির পরিবর্তন ঘটে থাকে। মনে করি বদ্ধ সিস্টেমের প্রারম্ভিক  অবস্থার আন্তরশক্তির হলো U 1 এই বদ্ধ সিস্টেমে q পরিমান তাপ প্রয়োগ করা হলো এবং সিস্টেম এই পরিমাণ তাপ সম্পূর্ণরূপে শোষণ করলো।  তাপ গতিবিদ্যার প্রথম সূত্র অনুযায়ী তাপের বা অন্য যেকোনো প্রকারের শক্তির বিনাশ নেই তাই শোষিত তাপের সম্পূর্ণ অংশই আন্তরশক্তি রূপে সিস্টেমের সঞ্চিত হবে। সুতরাং, প্রারম্ভিক অবস্...